1. jasemruman@gmail.com : Mohammad Jasemuddin : Mohammad Jasemuddin
  2. bankersdorpon@gmail.com : Anis Munshi : Anis Munshi
  3. anis.buet2009@gmail.com : superadmin :
  4. shamimbasic2012@gmail.com : Munshi Mohammad Shamim Ahmed : Munshi Mohammad Shamim Ahmed
  5. ferdauszinnat@gmail.com : Zinnat Ferdaus : Zinnat Ferdaus
শিরোনামঃ
একজন ব্যাংকারের ব্যক্তিগত ভাবনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে লেখা বই “ আমু ভাইয়ের প্রাসঙ্গিক বিষয়” মূল্যায়নের আশায় বসে থাকা নয় , সুনাম পেয়ে থেমে যাওয়া নয় বরং নিরন্তÍর কাজ করে যাওয়াই সাফল্যের সোপান তৈরি করে। ABOB এর উপদেষ্টা হলেন সাবেক ব্যাংকার বর্তমানে জাতীয় সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান। খেলাপী ঋণ আদায় ও হ্রাসে পুনঃতফসিলকরন একটি সহজ, কার্যকরী ও মানবিক কৌশল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থার পুনর্গঠন করোনাকালীন সময়ে দেশের অর্থনৈতিক সেক্টরের সম্মুখসারির যোদ্ধা ব্যাংকারদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও খ্যাতিমান ব্যাংকার ABOB এর উপদেষ্টা খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ইন্তেকাল করেছেন। শেখ মওদুদ আহমেদ এর হত্যার প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে ব্যাংকারগণ। বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন দুই ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ ব্যাংকিং ব্যবসা হালাল আর সুদের কারবার হারাম

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডঃ সংক্ষিপ্ত পরিচিতিমূলক তথ্য।

  • আপডেট টাইম : Monday, October 28, 2019
  • 1852 বার পঠিত

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বিশ্ব মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং তা ১৬ ডিসেম্বরে ১৯৭১ হানাদার মুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরপরই বাংলাদেশ সরকার ‘স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান’ ব্যাংক এর ঢাকা শাখাকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে নাম দেন ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’। বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী তা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়ে বাংলাদেশের সকল ব্যাংকিং কার্যক্রমের ক্রিড়ানকের ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক লিমিটেড। বাংলাদেশ ব্যাংক (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকিং কর্মকান্ডকে আরো গতিশীল করার নিমিত্ত যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের পরিদপ্তরে ০৩ জুন, ২০০৭ তারিখে “সোনালী ব্যাংক লিমিটেড” নামে কোম্পানী নিবন্ধন এবং ৫ জুন, ২০০৭ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর অনুকূলে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রদানের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড-এর মধ্যে “ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট” সম্পাদনপূর্বক ১৫ নভেন্বর, ২০০৭ তারিখ হতে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।

ব্যাংক ব্যবসার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি দেশের আপামর জনসাধারণকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা এবং সুদৃঢ় অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়াসে “সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড” নামে সাবসিডিয়ারী কোম্পানী গঠনপূর্বক ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ হতে মার্চেন্ট ব্যাংকিং এর ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
২৯ জুন, ২০১০ তারিখ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও বগুড়ায় ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর মাধ্যমে শরীয়াহ্ ভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তাছাড়া “সোনালী ফাউন্ডেশন” গঠনের মাধ্যমে কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি এর দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে 1218 টি। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে 1216 টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে ১২১৩টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৪৬টি এবং অবশিষ্ট ৪৬৭টি শহরাঞ্চলে। সকল শাখার মধ্যে ৪৫টি শাখার (অথরাইজড ডিলার বা এডি শাখা) মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি। ব্যাংকের প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত রয়েছে ১১টি জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ৪৬টি প্রিন্সিপাল অফিস ও ১৬টি আঞ্চলিক কার্যালয়। প্রধান কার্যালয়ের ৪৫টি বিভাগের মাধ্যমে ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সোনালী ব্যাংকে কম-বেশী ১.২৫ কোটি বিভিন্ন ধরনের গ্রাহকের হিসাব রয়েছে।

ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজে দক্ষতা আনয়নের জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ঢাকায় “সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজ” সহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া ও ময়মনসিংহে ১টি করে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং অঙ্গনে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী ইনকর্পোরেটেড (SECI) নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সাবসিডিয়ারী কোম্পানী স্থাপন করা হয়। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে উক্ত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীর ৯টি শাখা রয়েছে। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যৌথ মালিকানায় ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে সোনালী ব্যাংক (ইউকে) লিঃ এর কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে এর ৬টি শাখা রয়েছে।

সৌদি আরবের রিয়াদ ও জেদ্দা এবং কুয়েত এ ব্যাংকের নিজস্ব প্রতিনিধি অফিস রয়েছে। মালয়েশিয়ার ‘মে ব্যাংক’ ও IME(M) SDN, BHD’-এর মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সহযোগিতায় মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশীদের প্রেরিত অর্থ দেশে আসছে। কোন শাখায় হিসাব নম্বর না থাকা সত্বেও WESTERN UNION, IME, TRANSFAST, EXPRESS MONEY এর রেমিট্যান্স SPOT CASH, CASH OVERT THE COUNTER পদ্ধতিতে এবং অন্যান্য ব্যাংক / EXCHANGE HOUSE-এর রেমিট্যান্সের টাকা পরিশোধ করা হয়। মধ্য প্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের ৫৫টি ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের সাথে সোনালী ব্যাংকের রয়েছে রেমিট্যান্স ব্যবসা। বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য ব্যাংকের ৪৫টি অনুমোদিত শাখা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৬১৭টি বৈদেশিক করেসপন্ডেন্টস এর মাধ্যমে ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ব্যাংকের রয়েছে বিরাট সংখ্যক দক্ষ জনবল। এই জনবল নিয়ে ব্যাংক ব্যবসার উন্নয়ন এর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমানে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড-এ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা মোট ১৮,১৬৭ জন। এর মধ্যে কর্মকর্তার সংখ্যা ১৭,৪০৬ জন এবং কর্মচারীর সংখ্যা ১৪০০ জন।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সর্বক্ষেত্রে আত্মনিবেদিত হয়ে কাজ করে আসছে। জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণে বিভিন্ন ধরনের আমানত প্রোডাক্ট প্রবর্তন করা হয়েছে। দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন ঘটিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে কৃষি ও শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানী- রফতানী ঋণ, কৃষিঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, এসএমই ঋণ, ভোগ্যপণ্য ঋণসহ বিভিন্ন ঋণ স্কীমের মাধ্যমে শহর ও গ্রামাঞ্চলের জনসাধারণকে সহায়তা প্রদান করে আসছে।

সোনালী ব্যাংক জনসাধারণের দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি যেসব স্থানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেসব স্থানে সরকারের পক্ষে সরকারি ট্রেজারী কার্যক্রম পরিচালনা করে।সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরভাতা প্রদান, সরকারী ও বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনভাতা প্রদান, ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, সামাজিক নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন ভাতা প্রদান, সরকারি সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয়, সরকারি খাদ্যশস্য ক্রয় বিল পরিশোধ, বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের বিল গ্রহণ, সরকারি রাজস্ব আদায় কার্যক্রম, হজ্জ্ব ও জাকাত ফান্ডের অর্থ গ্রহণসহ সামাজিক কর্মকান্ডের (CSR) মাধ্যমে আপামর জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করে আসছে।

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও পোস্ট
©2019 to till today at bankersdarpon.com, All rights reserved.
Site Customized By NewsTech.Com